Sunday, September 22, 2019

মুজিবনগরে যাত্রা শুরু মুক্তা পানির

আমরাই করব মুক্তা পানির প্রচার এই প্রত্যয় থেকেই আজ শুরু হলো মুজিবনগর উপজেলায় মুক্তা পানির ব্যবহার। দেশের সুবর্ণ নাগরিকদের তৈরি মুক্তা পানির ব্যবহার নিশ্চিত করার যে স্বপ্ন দেখেছিলাম আজ তার বাস্তব রূপ পেল ভাবতেই ভালো লাগছে।জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেনে মহোদয়ের সাথে মতবিনিময় সভায় মুক্তা পানি পরিবেশন করা হয়। সহস্রাধিক লোকের এ অনুষ্ঠানে সকলের হাতে শোভা পায় মুক্তা পানির সুদৃশ্য বোতল। এক্ষেত্রে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি জনাব মোঃ উসমান গনী, উপজেলা নির্বাহী  অফিসার,  মুজিবনগর মহোদয়কে অন্য পানির পরিবর্তে মুক্তা পানির ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য। এ মাসের উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভাতে নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের অনুমতিক্রমে মুক্তা পানির উপর একটি প্রেজেন্টেশন দিয়েছিলাম যা ইতোমধ্যেই আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। আজ সেই ক্ষুদ্র প্রয়াসের সফল বাস্তবায়ন দেখে অত্যন্ত আনন্দ অনুভব করছি। আসুন আমাদের প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের অতি কষ্টের মুক্তা পানি ছড়িয়ে দিই সকলের মাঝে আর অবদান রাখি তাদের কল্যাণে। ধন্যবাদ সবাইকে   
                   

Thursday, September 5, 2019

চকলেট বিক্রেতা থেকে সফল উদ্যোক্তা

পল্লী পাতাঃ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী মুজিবনগর। আর এই ঐতিহাসিক মুজিবনগরের যে আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নিয়েছিল সেই আম্রকাননের প্রবেশ দ্বারেই দারিদ্র্য জয়ের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন মোঃ মৃদুল হোসেন। ভাবছেন সে তো অনেকেই করে এ আবার নতুন কী? না, মৃদুলের জীবন সংগ্রামের এ বাস্তব গল্পটি একটু ভিন্ন ধরনের। দরিদ্র ঘরে বেড়ে ওটা মৃদুলের দুঃখ জয়ের সংগ্রাম শুরু হয় মুজিবনগর আম্রকাননে  ফেরি করে চকলেট বিক্রির মধ্য দিয়ে। স্বল্প পুঁজির অল্প লাভে কোনমতে চলতে থাকে তার জীবন। এরপর করেছেন আরো না কতো কিছু। ঝালমুড়ির দোকান থেকে টান ভ্যানে খেলনার দোকান সবই তো মানিয়েছে মৃদুলের হাতে। কখনও বা বসিয়েছেন ছোট্ট চায়ের দোকান। এভাবেই একটু একটু করে এগিয়ে চলার পথটাকে আরো মসৃন করে দিতে এগিয়ে আসে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর। ২০১৭ সালে তার হাতে তুলে দেয়া হয় ক্ষুদ্রব্যবসায় আর্থ-সামাজিক স্কীম। মৃদুলের মানসিক বল বেড়ে যায়। দ্বিগুন আত্নবিশ্বাসী হয়ে শুরু করেন স্বপ্ন জয়ের সংগ্রাম।  মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকেই আজ তার সাতটি দোকান যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে আরো সাতজনের।  ধৈর্য, মেধা আর পরিশ্রমে মৃদুলের এ সফলতা আজ অনেক যুবকের অনুপ্রেরণা। আজ তার এ সাফল্যগাথার উপর কেস স্টাডি করেছে টীম মুজিবনগর।  ক্ষুদ্র লেখনীতে হয়তো এর বেশি বলা সম্ভব নয় তবে গর্বে বুকটা ভরে গেছে যখন মৃদুল কৃতজ্ঞচিত্তে জানিয়েছেন তার এ সাফল্যের নেপথ্যে শক্তি জুগিয়েছে পল্লী সমাজসেবার আর্থ-সামাজিক  স্কীম। একই সাথে তিনি এটিও জানিয়েছেন ঋণের পরিমান অন্তত ৫০০০০/- হলে তাদের জন্য ভালো হতো। 

চকলেট বিক্রেতা থেকে সফল উদ্যোক্তা

পল্লী পাতাঃ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী মুজিবনগর। আর এই ঐতিহাসিক মুজিবনগরের যে আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ নিয়েছিল সেই আম্রকাননের প্রবেশ দ্বারেই দারিদ্র্য জয়ের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন মোঃ মৃদুল হোসেন। ভাবছেন সে তো অনেকেই করে এ আবার নতুন কী? না, মৃদুলের জীবন সংগ্রামের এ বাস্তব গল্পটি একটু ভিন্ন ধরনের। দরিদ্র ঘরে বেড়ে ওটা মৃদুলের দুঃখ জয়ের সংগ্রাম শুরু হয় মুজিবনগর আম্রকাননে  ফেরি করে চকলেট বিক্রির মধ্য দিয়ে। স্বল্প পুঁজির অল্প লাভে কোনমতে চলতে থাকে তার জীবন। এরপর করেছেন আরো না কতো কিছু। ঝালমুড়ির দোকান থেকে টান ভ্যানে খেলনার দোকান সবই তো মানিয়েছে মৃদুলের হাতে। কখনও বা বসিয়েছেন ছোট্ট চায়ের দোকান। এভাবেই একটু একটু করে এগিয়ে চলার পথটাকে আরো মসৃন করে দিতে এগিয়ে আসে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর। ২০১৭ সালে তার হাতে তুলে দেয়া হয় ক্ষুদ্রব্যবসায় আর্থ-সামাজিক স্কীম। মৃদুলের মানসিক বল বেড়ে যায়। দ্বিগুন আত্নবিশ্বাসী হয়ে শুরু করেন স্বপ্ন জয়ের সংগ্রাম।  মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকেই আজ তার সাতটি দোকান যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে আরো সাতজনের।  ধৈর্য, মেধা আর পরিশ্রমে মৃদুলের এ সফলতা আজ অনেক যুবকের অনুপ্রেরণা। আজ তার এ সাফল্যগাথার উপর কেস স্টাডি করেছে টীম মুজিবনগর।  ক্ষুদ্র লেখনীতে হয়তো এর বেশি বলা সম্ভব নয় তবে গর্বে বুকটা ভরে গেছে যখন মৃদুল কৃতজ্ঞচিত্তে জানিয়েছেন তার এ সাফল্যের নেপথ্যে শক্তি জুগিয়েছে পল্লী সমাজসেবার আর্থ-সামাজিক  স্কীম। একই সাথে তিনি এটিও জানিয়েছেন ঋণের পরিমান অন্তত ৫০০০০/- হলে তাদের জন্য ভালো হতো। 

Monday, September 2, 2019

ভাগ্য বদলে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের চার লক্ষ দশ হাজার টাকার আর্থ-সামাজিক স্কীম বিতরন

পল্লী পাতাঃ 'বঙ্গবন্ধুুর ক্ষুদ্রঋণ ঘোঁচায় দৈন্য আনে সুদিন' এই মূলমন্ত্র কে উপজীব্য করে ১৯৭৪ সালে থেকে শুরু হওয়া পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম দেশের আর্থ-সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে আজ সর্বজন সমাদৃত। দেশের অন্যান্য উপজেলার মতই মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলায় অত্যন্ত সাফল্যের সাথে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের খানপর গ্রামে  গত বছর সুদমুক্তের মূল বিনিয়োগ করা হয়। চোখে-মুখে অনেক উচ্ছ্বাস আর মন ভরা প্রত্যয় নিয়ে আর্থ-সামাজিক স্কীম গ্রহন করেন এই প্রকল্প গ্রামের সম্মানিত সদস্যরা। পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালার আলোকে সময় মতো বিনিয়োগকৃত অর্থ আদায় হওয়ায় তাদের মাঝে আজ পুনঃবিনিয়োগের লক্ষ্যে উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এবং সদস্যদের মাঝে আর্থ-সামাজিকে স্কীমের আওতায় ৪,১্‌০,০০০/- পুনঃবিনিয়োগ করা হয়।   উঠান বৈঠকে তারা তাদের সফলতার গল্প গুলো তুলে ধরেন। আমাদের আর্থ-সামাজিক স্কীম কীভাবে তাদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করেছে আর কীভাবে তার আজ পরিবারের অন্যতম সিদ্ধান্ত গ্রহনকারী সে কথাগুলোও উঠে এসেছে আজকের এই উঠান বৈঠকে। এটাই বুঝি পল্লী সমাজসেবার সৌন্দর্য আর এখানের আমাদের সফলতা।



Wednesday, August 28, 2019

1098 এর প্রচারণায় উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর

দাপ্তরিক প্রতিবেদনঃ শিশুর সহায়তায় টোল ফ্রি ২৪/৭ হেল্প লাইন আছে সমাজসেবা অধিদফতর এর। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউ যে কোন সময় কল করতে পারেন এই হেল্প লাইনে এবং শিশুর সহায়তায় চাইতে পারেন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা। এই হেল্প লাইনেরই প্রচারণায় নানামুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর। এর মধ্যে অন্যতম হলো শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক সম্মেলন। যার উদ্দেশ্য হলো ১০৯৮ এর বার্তা সকলের মাঝে পৌছে দেয়া। আর এই প্রচারণামূলক সভায় সার্বিক সহযোগিতা করছে "গুড নেইবার্স" নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। এমনই এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় অদ্য ২৭/০৮/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে যেখানে প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ উসমান গনী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মুজিবনগর, মেহেরপুর। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সকলের হাতে পৌছে দেয়া হয় ১০৯৮ এর লিফলেট, স্টিকার এবং কোর্ট পিন। ম্যানেজার, গুড নেইবার্স এর সাথে আলাপ করা হয় যেন তাদের অফিসিয়াল বিভিন্ন প্রকাশনায় ১০৯৮ কে সন্নিবেশিত ককরা হয়। উনি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন এবং আমাকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। আসুন আমার আপনার সকলের জায়গা থেকে শিশুর সহায়তায় ১০৯৮ কে তুলে ধরি সকলের মাঝে। ধন্যবাদ
             

Thursday, August 8, 2019

সুবর্ণ সেবায় স্বচ্ছল বাবুর আলী

গল্প নয় সত্যি-০৫ঃ আজ আমার গল্প নয় সত্যি পর্বে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব জীবনযুদ্ধে একজন সফল নায়কের সাথে যার নাম মোঃ বাবুর আলী। বর্তমানে তিনি পেশায় একজন চায়ের দোকানী। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী খ্যাত মুজিবনগর এ যারা এসেছেন তাদের অনেকেরই হয়তো চোখ পড়েছে তার দোকানের দিকে। কারণ তার দোকান পেরিয়েই যেতে হয় স্বাধীন বাংলাদেশের সূর্যোদয় যেখানে হয়েছিল সেই আম্রকাননে। আজ তার দোকানে গিয়ে সরেজমিনে তার খোজখবর নেয় সমাজসেবার টীম মুজিবনগর। তার সাথে কথা বলে  জানা যায় মাত্র এগার বছর বয়সে একটি দুর্ঘটনায় তিনি তার পায়ে মারাত্নক জখমের শিকার হন এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার ক্ষমতা হারান। মূলত, তখন থেকেই শুরু হয় তার জীবনযুদ্ধ। ভূমিহীন বাবুর আলী শত সমস্যার মাঝেও স্বপ্ন দেখত নিজে কিছু করার এবং পরিবার ও সমাজে অবদান রাখার। কিন্তু স্বপ্ন জয়ের সে পথ মোটেও সহজ ছিল না। সময়ের আবর্তে হয় তার নিজ পরিবার এবং আজ তিনি দুই সন্তানের গর্বিত জনক। পরিবার-পরিজন নিয়ে বেচে থাকার তাগিদে মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে যাওয়ার মূল রাস্তার পাশেই তিনি একটি ছোট্ট চায়ের দোকান দে্ন। কিন্তু স্বল্প পুজিতে ব্যবসা চালানো তার জন্য কঠিন হয়ে যায়। নানান কিছু ভেবে মাথায় আসে ঋণের কথা, কিন্তু তা তো সুদে ভরা, চিন্তা হয় কীভাবে দিবে সে প্রতি সপ্তাহে কিস্তি? মনে যখন দুশ্চিন্তার ঘনঘটা তখন সে তারই এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানতে পারেন সমাজসেবার দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের কথা। এ সেবার সকল বিষয় বুঝে-শুনে তিনি একটি স্কীম গ্রহন করেন এবং তার ব্যবসায় বিনিয়োগ করে। রাস্তার মোড়ে যাত্রী ছাউনের পাশে বাবুর আলীর রং চা আজ সবার প্রিয়। তাই, আমরাও ভুল করি নাই তার দোকানের চায়ের কাপে চুমুক দিতে। এভাবেই লাখো বাবুর আলীর সামাজিক সুরক্ষায় পাশে আছি আমরা তথা সমাজসেবা অধিদফতর। ধন্যবাদ সবাইকে।


Thursday, August 1, 2019

যুবদের আত্নকর্মসংস্থানে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম

গল্প নয় সত্যি ০৪ঃ 'বঙ্গবন্ধুর সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ ঘোচায় দৈন্য আনে সুদিন' এই প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে ১৯৭৪ সালে দেশের ১৯ টি থানায় শুরু হয় পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম। স্বনির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে আজ এই কার্যক্রম সারা দেশব্যাপী সর্বজন বিদিত। দেশের অন্যান্য উপজেলার মতই স্বাধীনতার পূণ্যভূমি খ্যাত মুজিবনগর উপজেলাতেও অত্যন্ত সফলতার সহিত পরিচালিত হচ্ছে এই কার্যক্রম। এ উপজেলার পিছিয়ে পড়া, অসহায়, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার মূল স্রোতধারায় সংযুক্ত করতে সহস্র সেবাগ্রহীতার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই মহৎ কার্যক্রম। অনেকের মধ্য থেকে আজ তুলে ধরতে চায় আত্নপ্রত্যয়ী যুবক রওনাকের গল্প। একসমের হতাশগ্রস্ত যুবক রওনাক আজ আত্নবিশ্বাসী যুবক। আর তার আত্নপ্রত্যয়ের ভিত তৈরি হয় পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের একজন সদস্য হওয়ার মাধ্যমে। গত বছর রওনাক ছাগল পালন স্কীম নিয়ে উন্নত জাতের ছাগল কিনে পারিবারিক পর্যায়ে খামার গড়ে তোলে। এবছর সে তার খামারকে আরো বড় করার পরিকল্পনায় পুনরায় পুনঃবিনিয়োগের স্কীম গ্রহন করেছে। আশেপাশের অনেক যুবকের কাছে আজ  তাই রওনাক আদর্শ।

রওনাকের ছাগলের খামারে আজ কিছুক্ষন