Wednesday, August 28, 2019

1098 এর প্রচারণায় উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর

দাপ্তরিক প্রতিবেদনঃ শিশুর সহায়তায় টোল ফ্রি ২৪/৭ হেল্প লাইন আছে সমাজসেবা অধিদফতর এর। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউ যে কোন সময় কল করতে পারেন এই হেল্প লাইনে এবং শিশুর সহায়তায় চাইতে পারেন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা। এই হেল্প লাইনেরই প্রচারণায় নানামুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর। এর মধ্যে অন্যতম হলো শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক সম্মেলন। যার উদ্দেশ্য হলো ১০৯৮ এর বার্তা সকলের মাঝে পৌছে দেয়া। আর এই প্রচারণামূলক সভায় সার্বিক সহযোগিতা করছে "গুড নেইবার্স" নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। এমনই এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় অদ্য ২৭/০৮/২০১৯ খ্রিঃ তারিখে যেখানে প্রায় এক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ উসমান গনী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মুজিবনগর, মেহেরপুর। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সকলের হাতে পৌছে দেয়া হয় ১০৯৮ এর লিফলেট, স্টিকার এবং কোর্ট পিন। ম্যানেজার, গুড নেইবার্স এর সাথে আলাপ করা হয় যেন তাদের অফিসিয়াল বিভিন্ন প্রকাশনায় ১০৯৮ কে সন্নিবেশিত ককরা হয়। উনি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন এবং আমাকে এ ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। আসুন আমার আপনার সকলের জায়গা থেকে শিশুর সহায়তায় ১০৯৮ কে তুলে ধরি সকলের মাঝে। ধন্যবাদ
             

Thursday, August 8, 2019

সুবর্ণ সেবায় স্বচ্ছল বাবুর আলী

গল্প নয় সত্যি-০৫ঃ আজ আমার গল্প নয় সত্যি পর্বে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব জীবনযুদ্ধে একজন সফল নায়কের সাথে যার নাম মোঃ বাবুর আলী। বর্তমানে তিনি পেশায় একজন চায়ের দোকানী। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী খ্যাত মুজিবনগর এ যারা এসেছেন তাদের অনেকেরই হয়তো চোখ পড়েছে তার দোকানের দিকে। কারণ তার দোকান পেরিয়েই যেতে হয় স্বাধীন বাংলাদেশের সূর্যোদয় যেখানে হয়েছিল সেই আম্রকাননে। আজ তার দোকানে গিয়ে সরেজমিনে তার খোজখবর নেয় সমাজসেবার টীম মুজিবনগর। তার সাথে কথা বলে  জানা যায় মাত্র এগার বছর বয়সে একটি দুর্ঘটনায় তিনি তার পায়ে মারাত্নক জখমের শিকার হন এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার ক্ষমতা হারান। মূলত, তখন থেকেই শুরু হয় তার জীবনযুদ্ধ। ভূমিহীন বাবুর আলী শত সমস্যার মাঝেও স্বপ্ন দেখত নিজে কিছু করার এবং পরিবার ও সমাজে অবদান রাখার। কিন্তু স্বপ্ন জয়ের সে পথ মোটেও সহজ ছিল না। সময়ের আবর্তে হয় তার নিজ পরিবার এবং আজ তিনি দুই সন্তানের গর্বিত জনক। পরিবার-পরিজন নিয়ে বেচে থাকার তাগিদে মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে যাওয়ার মূল রাস্তার পাশেই তিনি একটি ছোট্ট চায়ের দোকান দে্ন। কিন্তু স্বল্প পুজিতে ব্যবসা চালানো তার জন্য কঠিন হয়ে যায়। নানান কিছু ভেবে মাথায় আসে ঋণের কথা, কিন্তু তা তো সুদে ভরা, চিন্তা হয় কীভাবে দিবে সে প্রতি সপ্তাহে কিস্তি? মনে যখন দুশ্চিন্তার ঘনঘটা তখন সে তারই এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে জানতে পারেন সমাজসেবার দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের কথা। এ সেবার সকল বিষয় বুঝে-শুনে তিনি একটি স্কীম গ্রহন করেন এবং তার ব্যবসায় বিনিয়োগ করে। রাস্তার মোড়ে যাত্রী ছাউনের পাশে বাবুর আলীর রং চা আজ সবার প্রিয়। তাই, আমরাও ভুল করি নাই তার দোকানের চায়ের কাপে চুমুক দিতে। এভাবেই লাখো বাবুর আলীর সামাজিক সুরক্ষায় পাশে আছি আমরা তথা সমাজসেবা অধিদফতর। ধন্যবাদ সবাইকে।


Thursday, August 1, 2019

যুবদের আত্নকর্মসংস্থানে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম

গল্প নয় সত্যি ০৪ঃ 'বঙ্গবন্ধুর সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ ঘোচায় দৈন্য আনে সুদিন' এই প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে ১৯৭৪ সালে দেশের ১৯ টি থানায় শুরু হয় পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম। স্বনির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে আজ এই কার্যক্রম সারা দেশব্যাপী সর্বজন বিদিত। দেশের অন্যান্য উপজেলার মতই স্বাধীনতার পূণ্যভূমি খ্যাত মুজিবনগর উপজেলাতেও অত্যন্ত সফলতার সহিত পরিচালিত হচ্ছে এই কার্যক্রম। এ উপজেলার পিছিয়ে পড়া, অসহায়, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার মূল স্রোতধারায় সংযুক্ত করতে সহস্র সেবাগ্রহীতার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই মহৎ কার্যক্রম। অনেকের মধ্য থেকে আজ তুলে ধরতে চায় আত্নপ্রত্যয়ী যুবক রওনাকের গল্প। একসমের হতাশগ্রস্ত যুবক রওনাক আজ আত্নবিশ্বাসী যুবক। আর তার আত্নপ্রত্যয়ের ভিত তৈরি হয় পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের একজন সদস্য হওয়ার মাধ্যমে। গত বছর রওনাক ছাগল পালন স্কীম নিয়ে উন্নত জাতের ছাগল কিনে পারিবারিক পর্যায়ে খামার গড়ে তোলে। এবছর সে তার খামারকে আরো বড় করার পরিকল্পনায় পুনরায় পুনঃবিনিয়োগের স্কীম গ্রহন করেছে। আশেপাশের অনেক যুবকের কাছে আজ  তাই রওনাক আদর্শ।

রওনাকের ছাগলের খামারে আজ কিছুক্ষন

Monday, July 22, 2019

সবার প্রিয় সিরাজুলের বেডিং স্টোর

গল্প নয় সতি-০৩ঃ সিরাজুল ইসলাম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী (সুবর্ণ নাগরিক)। জন্মগতভাবেই শারীরিক প্রতিবন্ধিতা নিয়ে বেড়ে ওঠা সিরাজ বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী। মুজিবনগর উপজেলার কেদারগঞ্জ বাজারে গড়ে তুলেছেন তার বেডিং এর ব্যবসা যেখান কর্মসংস্থান হয়েছে আরো দু'জনের। লেপ, তোষক, বালিশ এবং প্রভৃতি সেলাইয়ের কাজ চলে এই দোকানে। ক্রেতা সাধারনের মাঝেও সিরাজের দোকানের তৈরি পণ্যের চাহিদাও বেশ। সবমিলিয়ে ভালোই চলছে তার ব্যবসা ও পরিবার। তবে এই গল্পের শুরুটা এতো ভালো ছিল না তার। শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে আর পাঁচ জন স্বাভাবিক মানুষের মতো ছিল না তার জীবন। জীবন জীবিকার জটিল সমীকরণ তার জন্য ছিল আরো কঠিন। এর মাঝে হয়ে গেছে নিজ পরিবার আর সন্তান-সন্ততি। সবার মুখে দু'বেলা দুমুঠো খাবার তুলে দিতে তাকে যে কিছু একটা করতেই হবে। সেই প্রত্যয় থেকেই তার মাথায় আসে একটি সেলাই মেশিন কিনতে পারলে এক জায়গাতে বসেই সে কোনরকমে হয়তো কিছু উপার্জন করে পরিবারের সবাইকে নিয়ে জীবনধারন করতে পারবে। তবে সেলাই মেশিন আর আনুষঙ্গিক উপকরণ ক্রয়ের মতো সামর্থ্য তো তার নেই। বিভিন্ন এনজিওর দোয়ারে ঘুরে হতাশ হন তাদের চড়া সুদের হার আর কিস্তির ধরণে। আশার প্রদীপ যখন নিভু নিভু করছে তখন সে জানতে পারে সমাজসেবার দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় সহজ শর্তে সুদমুক্ত  ঋণের কথা। তার আগ্রহ আর আশার বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে উপজেলা সমাজসেবা কার্যলয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর। সমাজসেবার এই সুবর্ণ সেবা নিয়ে আজ সে সমাজের চোখে এক অনুকরণীয় উদাহরণ। 
সিরাজের (মাঝে) দোকানে আজ কার্যক্রম বোর্ড লাগানো হয়

Wednesday, July 17, 2019

গ্রামীণ অর্থনীতির নিরব কারিগর ফাতেমারা

দারিদ্র্য জয়ের স্বপ্ন নিয়েঃ আমরা জানি, আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির চালিকাশক্তি হয়ে নিরবেই নিরলস পরিশ্রম করে যান এদেশের হাজারো পল্লী গাঁয়ের লাখো নারীরা। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও তাদের অমূল্য অবদান অনস্বীকার্য। অনেকটা নিজ উদ্যোগ আর প্রচেষ্টাতেই তারা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতিকে। এমনই একজন ফাতেমা বেগম, দুই সন্তান আর স্বামীকে নিয়ে যার টানাটানির সংসার। এর মাঝে ছেলে আবার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (সুবর্ণ নাগরিক)। বসতবাড়ির জায়গা ছাড়া কোন কৃষি জমি না থাকাই তার স্বামীকে সারা বছর অন্যের ক্ষেতেই কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। ফাতেম ভাবতে থাকে এভাবে আর কতো সে নিজেও তো কিছু করে পরিবারের আর্থিক অনটন কাটাতে ভূমিকা রাখতে পারে। সেই ভাবনা থেকেই সে গাভী পালনের সিদ্ধান্তে নেয় যার ফলে পরিবারের আর্থিক অনটনও ঘোচাবে আবার পুষ্টির চাহিদাও মেটানো যাবে। বাড়ির আঙ্গিনাতেই সে একটি ছোট্ট গোয়াল করেছে। কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় গাভী ক্রয়ের পুজি নিয়ে। স্বামীর আয় থেকে অনেক কষ্টে একটু একটু করে যা জমানো হয়েছে তাতে তো আর গাভী হবে না। তার এই ভাবনার কথা ঐ প্রকল্প গ্রামের সভাপতির মাধ্যমে জানতে পারে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন সমাজকর্মী। তাঁর থেকে সব কিছু জেনে-শুনে যথাযথ নিয়ম মেনে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় গাভী পালন স্কীম দিয়ে ফাতেমার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর। এমনি করেই হাজারো ফাতেমার স্বপ্ন পূরণ হোক সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে।
গাভী পালন স্কীম তুলে দেয়া হচ্ছে ফাতেমার হাতে

Tuesday, July 16, 2019

গরু-ছাগলের পারিবারিক খামারে সফল গোলাম রহমান

গল্প নয় সত্যি-০২ঃ মোঃ গোলাম রহমান, একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী (সুবর্ণ নাগরিক)। তবে একসময় সে সুস্থ স্বাভাবিক মানুষই ছিলেন। আজ থেকে কয়েক বছর আগের কথা-প্রতিদিনের মতো সেদিনও সে বের হয়েছিল জীবিকার সন্ধানে। কিন্তু সেদিন তার জন্য অভিশাপ হয়ে আসে। হঠাৎ দুর্ঘটনায় সব কিছু এলোমেলো করে দেয় দিনমজুর গোলামের জীবনকে। পরিবার সংসার আর নিজের চিকিৎসা নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় বিষাদ হয়ে যায় জীবনটা। ঘুরে দাড়ানোর অদম্য ইচ্ছে নিয়ে খুজতে থাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার উপায়-পারিবারিক আর আর্থিক জীবনে অবদান রাখার পথ। বিভিন্ন সময়ে নানান কিছু ভাবলেও শারীরিক সক্ষমতা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আশা-হতাশার দোলাচালে দিন কাটতে থাকে। জীবনের অনুভূতিগুলো বিবর্ণ হয়ে যায় জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধি ছেলে আর শত দুঃখ নিরবে সহে যাওয়া সহধর্মিণীর মুখে তাকিয়ে। শত সমস্যার মাঝেও  সে সম্ভাবনা খুজে পায় পারিবারিক গরু-ছাগলের খামারের মাঝে। সব ঠিক আছে-কিন্তু এত টাকা! তো তার নেই। যদি সে কিছু টাকা পেত তাহলে হয়তো আবারো পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে দাড়াতে পারতো। তার এই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে এগিয়ে আসে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর। তাকে দেওয়া হয় দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় গবাদি পশু পালন স্কীম। পরিশ্রমী আর দৃঢ়চেতা গোলাম রহমান আজ সফল তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে।আর এমনি করেই গোলাম রহমানের মত দেশের হাজারো মানুষের ঘুরে দাড়ানোর গল্প রচনা করে চলেছে সমাজসেবা অধিদফতর।
পুনঃবিনিয়োগের স্কীম তুলে দেওয়া হচ্ছে গোলাম রহমানের হাতে

Monday, July 15, 2019

প্রতিবন্ধিতাকে জয় করেছেন ফ্রান্সিস দফাদার

গল্প নয় সত্যিঃ ফ্রান্সিস দফাদার একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী (সুবর্ণ নাগরিক)। জন্মগত শারীরিক অস্বাভাবিকতা নিয়ে বেড়ে ওঠা ফ্রান্সিসেরও সমাজের আর পাঁচ জন স্বাভাবিক মানুষের মতোই স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে তার অভাবী পরিবারের হাল ধরা আর কারো কাছে বোঝা না হওয়া। নিজে কিছু করে তার দুঃখিনী মায়ের মুখে হাসি ফুটানোর অদম্য ইচ্ছে থাকলেও বাধা হয় আর্থিক অনটন। কিন্তু সে দমে যাওয়ার পাত্র নয়। নিজের শারীরিক সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য এমন কিছু করার জন্য সে দিন-রাত ভাবতে থাকে। যদি সে কিছু টাকা পেত তাহলে বাড়ির পাশেই একটি চায়ের দোকান করতো। এরই মধ্যে তার সাথে যোগাযোগ হয় সংশ্লিষ্ট ইউনয়নের সমাজকর্মীর সাথে। তার নিজের পায়ে দাড়ানোর অদম্য ইচ্ছের কথা শুনে তাকে আমাদের দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণের বিস্তারিত বলেন আমাদের ইউনিয়ন সমাজকর্মী। সে এই সেবার বিষয়ে জেনে খুবই খুশি হয় এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার উপর গতবছর একটি স্কীম গ্রহন করে। এবং এই টাকা দিয়ে শুরু করে তার স্বপ্ন জয়ের যাত্রা। বাড়ির পাশেই দোকান করে এবং শুরু হয় তার চায়ের ব্যবসা। এখান থেকেই তার যা আয় হয় তা দিয়ে ভালোই চলছে মাকে নিয়ে তার ছোট্ট পরিবার। মায়ের দায়িত্ব নিতে পেরে সে নিজেও খুশি আর ছেলে কারো বোঝা নয় এই ভেবে মাও খুশি। এভাবেই হাজারো মায়ের মুখে হাসি ফুটিয়ে চলেছি আমরা সারা দেশ ব্যাপী।